Phone: +88 02 7191017-9 (173)

এমআরটি’র ওয়েবসাইটে স্বাগতম

সেন্টার ফর মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং-এমআরটি। ২০০৮ সালের জুলাই মাসে স্বল্প পরিসর নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে এর কার্যক্রমের পরিসর বেড়েই চলছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এমআরটির কাজ ছিল নয়া দিগন্তের সবলতা ও দুর্বলতার বিভিন্ন দিক চিহ্নিত করে সময়োপযোগী পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে পত্রিকাটির মানোন্নয়নে সহযোগিতা করা।

কিছুদিন যেতেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এর কার্যক্রম সম্প্রসারণের। উদ্যোগ নেয়া হয় একটি বিষয়ভিত্তিক সমৃদ্ধ ডিজিটাল আরকাইভ তৈরির। বর্তমানে আরকাইভটি বেশ তথ্যসমৃদ্ধ। নিয়মিতই চলছে এর উন্নয়নের কাজ। নয়া দিগন্তের সাংবাদিক, কলামিস্ট, লেখক ও গবেষকরা এখান থেকে বেশ উপকৃত হচ্ছেন তা জোর দিয়েই বলা যায়। আরকাইভটিকে কীভাবে ব্যবহারকারীর জন্য আরো সহজ ও সুন্দর করা যায় সে ব্যাপারেও প্রচেষ্টা চলছে নিরন্তর।

দেশে সৎ ও দক্ষ সাংবাদিক তৈরির প্রত্যয় নিয়ে ২০০৯ সালের গোড়ার দিকে এমআরটি চালু করে তিন মাসব্যাপী সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কোর্স। ইতোমধ্যে ৪টি কোর্স সাফল্যের সাথে সমাপ্ত হয়েছে। চারটি কোর্সে প্রায় ১২০ জন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। যাদের উল্লেখযোগ্য অংশ বর্তমানে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করছে।
প্রিন্ট মিডিয়ার পাশাপাশি ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিও গুরুত্ব দিয়েছে এমআরটি। এ পর্যন্ত দু’টি সংবাদ উপস্থাপনা কোর্স পরিচালনা করেছে এ প্রতিষ্ঠান। এতে অন্তত ৪০ জন শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে। তাদের কয়েকজন বর্তমানে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় নিউজরুমে কাজ করছে। সম্প্রতি এমআরটি সম্প্রচার সাংবাদিকতা বিষয়ে একটি কোর্স চালু করেছে। যাতে অংশ নিচ্ছে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী। দেশের খ্যাতিমান সাংবাদিক, কলামিস্ট ও বুদ্ধিজীবীরা কোর্সের নির্দেশক হিসেবে  উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রম পরিচালনায় সহযোগিতা করছেন।

২০১০ সালের জানুয়ারিতে মাসিক মানবাধিকার প্রতিবেদন প্রকাশের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু করে এমআরটি । সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মূলত: জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। ইতোমধ্যেই এ রিপোর্ট বেশ গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। নয়া দিগন্ত ছাড়াও আমার দেশ, যুগান্তর, আমাদের প্রতিদিন, সাপ্তাহিক ২০০০, অনলাইন সংবাদপত্র শীর্ষ নিউজ, ওএমএস নিউজ, জিনিউজসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম তাদের সংবাদসূত্র হিসেবে এ প্রতিবেদন ব্যবহার করছে। যা সত্যিই এমআরটির রিপোর্টের গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ বহন করে।

তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে এমআরটি কোনভাবেই পিছিয়ে নেই। এর রয়েছে সম্পূর্ণ নিজস্ব ওয়েবসাইট। যা এমআরটির কর্মকর্তারাই আপডেট করেন। এমআরটির কার্যক্রমের নানা তথ্য ও খবরাখবর এতে নিয়মিত সংযোজন করা হয়। ফলে এমআরটি আজ শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মানুষগুলো। প্রতিমাসে প্রায় ৬ হাজার লোক এমআরটির ওয়েবসাইট ভিজিট করেন।

এমআরটি বেশ কিছু নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- অনলাইন পত্রিকা প্রকাশ ও বিষয়ভিত্তিক গবেষণা। সবার সার্বিক সহযোগিতা পেলে এমআরটি এগিয়ে যাবে সম্মুখপানে। সেই যাত্রায় সবাই সহযাত্রী হবেন এটাই প্রত্যাশা।